Tuesday, 13 December 2016

জিডি করতে

জিডি করতে

জিডি শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরীতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল আটটায় ডায়েরী খুলে পরের দিন সকাল আটটায় বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ কার্যত এটি কখনই বন্ধ হয় না।
 
এই ডায়েরীতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম  যেমন আসামী কোর্টে চালান দেয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
 
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোন থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকেন। আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও তিনি জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রয়োজনবোধে তদন্ত করা, নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও জিডির বিষয়টি মামলাযোগ্য হলে পুলিশ মামলা করে থাকে। আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 
জিডি করা
থানার ডিউটি অফিসার জিডি নথিভুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি ডায়েরীতে জিডির নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। জিডির দুটি কপি করা হয়। একটি থানায় সংরক্ষণ করা হয় এবং অন্যটিতে জিডির নম্বর লিখে প্রয়োজনীয় সাক্ষর ও সীলমোহর দেয়া হয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।                                                                                                                                                                                                                                       
অভিযোগকারী নিজে জিডি লিখতে পারেন, আবার প্রয়োজনে থানার কর্মকর্তাও লিখে দিয়ে থাকেন।
প্রতিটি জিডির বিপরীতে একটি নম্বর দেয়া হয়, ফলে কোন অবৈধ প্রক্রিয়া মাধ্যমে কেউ আগের তারিখ দেখিয়ে জিডি করতে পারেন না।
 
হারানো বিষয়ের জিডি
মোবাইল ফোনের সিম, পরীক্ষার সার্টিফিকেট, জমির দলিল প্রভৃতি হারিয়ে গেলে ঐ সব কাগজপত্র পুনরায় তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হারানো সংবাদের জিডি চেয়ে থাকে, তাই ঐসব ক্ষেত্রে হারানো সংবাদের জিডি করে সেই জিডি নম্বরসহ কর্তৃপক্ষরে কাছে আবেদন করতে হয়।
 
জিডির নমুনা
বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
.......... থানা
ঢাকা।
 
বিষয়: এসএসসি সার্টিফিকেট হারানো সংবাদ ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন।
 
মহোদয়,
আমি নিম্ন সাক্ষরকারী আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট আজ সকাল আনুমানিক ১১ টার সময় ঢাকা কলেজের পাশের রাস্তার একটি ফটোকপি করার দোকান থেকে হারিয়ে গেছে।
 
এমতাবস্থায় হারানোর বিষয়টি ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
 
সার্টিফিকেটের বিবরণ:
পরীক্ষার নাম...শিক্ষাবর্ষ...রেজিষ্ট্রেশন নং... রোল নং...
 
দাখিলকারী,
....
ঠিকানা...
ফোন

এক নজরে বাংলাদেশ পুলিশ

পর্তুগীজ ভাষা হতে পুলিশ শব্দটির উদ্ভব হয়েছে। পুলিশ (Police)  শব্দটি ভাঙ্গলে দাঁড়ায় P=Polite, O=Obedient, L=Loyal, I=Intelligent, C=Courageous, E=Efficient
 
বাংলাদেশ পুলিশের মূলনীতি হচ্ছে: শান্তি -শৃঙ্খলা-নিরাপত্তা-প্রগতি। এ পর্যন্ত ১১টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ নিযুক্ত হয়েছে।
 
  • বাংলাদেশের একমাত্র পুলিশ একাডেমী রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার সারদায় অবস্থিত।
  • কনস্টেবলদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে পি.টি.সি বা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার বলে। বাংলাদেশে ৪টি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পি.টি.সি) আছে। যথা: (ক) নোয়াখালী (খ) মহেড়া, টাংগাইল (গ) খুলনা ও (ঘ) রংপুর।
  • পুলিশ বাহিনীর জন্য ২ স্তরের পুরস্কার রয়েছে। যথা (ক) বীরত্ব পুরস্কার, (খ) জিএস মার্ক। বীরত্ব পুরস্কার ৩টি। যথা (ক) বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল, (খ) প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল, (গ) আই.জি ব্যাজ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের সেবায় দৃষ্টান্তমূলক কাজের জন্য বীরত্ব পুরস্কার দেওয়া হয়। G.S Mark হল সার্ভিস বইতে প্রশংসাপূর্ণ মন্তব্য লিখন যা পুলিশ বা তদূর্ধ কর্মকর্তাগণ দিয়ে থাকেন।
  • পুলিশ বাহিনীর জন্য ২ প্রকার শাস্তির ব্যবস্থা আছে। যথা: (ক) লঘু দন্ড ও (খ) গুরু দন্ড।
  • রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স-এর স্মৃতিসৌধটি ১৯৭১ সনের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাক বাহিনীর আক্রমণে নিহত পুলিশদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ১৯৮৯ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

অগ্নিকান্ডজনিত যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই আমাদের এই সংস্থাটির দ্বারস্থ হতে হয়। শুধুমাত্র অগ্নিকান্ড নয়, ভবন ধস, পানিতে কেউ ডুবে গেলে, ফায়ার লাইসেন্স প্রদান, রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, অগ্নি প্রতিরোধ মহড়া ও প্রশিক্ষণ প্রদান সহ বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে।
দুর্ঘটনার সাথে সাথে নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন বা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দুর্ঘটনার সংবাদ প্রদান করতে হয়। সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে ফায়ার কর্মীগণ সাজ-সরঞ্জামাদিসহ দুর্ঘটনাস্থলে গমন করেন। যে কোন দুর্যোগে ১০২ ডায়াল করলেই এ সেবা পাওয়া যায়।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনগুলো:
ফায়ার স্টেশন/ দপ্তরের নাম
ঠিকানা
টেলিফোন নং
মোবাইল নং
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
৩৮-৪৬ কাজী আলাউদ্দিন রোড, ঢাকা
৯৫৫৫৫৫৫
০১৭১৩-০৩৮১৮১
০১৭১৩-০৩৮১৮২
সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশন
৩৮-৪৬ কাজী আলাউদ্দিন রোড, ঢাকা
 ৯৫৫৫৫৫৫ এক্স ২৪৫

সচিবালয় ফায়ার ইউনিট
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
৯৫১৫৫৫৫

লালবাগ ফায়ার স্টেশন
লালবাগ, ঢাকা
 ৮৬১৯৯৮১
 ০১৭৩০-০০২২১৮
পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশন
পলাশী, ঢাকা
 ৮৬২৮৬৮৮
 ০১৭৩০-০০২২১৯
সদরঘাট ফায়ার স্টেশন
সদরঘাট, ঢাকা
 ৭১১৯৭৫৯
 ০১৭৩০-০০২২১০
পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশন
পোস্তগোলা, ঢাকা
 ৭৪৪০৭৭১
 ০১৭৩০-০০২২১৬
কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন
কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
৭৭৬৬৬৬৬
০১৭৩০-০০২২৪৭
ডেমরা ফায়ার স্টেশন
ডেমরা, ঢাকা
 ৭৫০০১১১
 ০১৭৩০-০০২৩০২
খিলগাঁও ফায়ার স্টেশন
খিলগাঁও, ঢাকা
 ৭২১৮৩২৯
 ০১৭৩০-০০২২২৫
তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন
তেজগাঁও, ঢাকা
 ৯৮৯৮১৮৭
 ০১৭৩০-০০২২২৬
 কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশন
কুর্মিটোলা, ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
 ৯৭১৩৩৯৯
 ০১৭৩০-০০২২৩২
মিরপুর ফায়ার স্টেশন
মিরপুর, ঢাকা
 ৯০০১০৫৫
 ০১৭৩০-০০২২২৯
মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশন
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
 ৯১১২০৭৮
 ০১৭৩০-০০২২২৭
ইপিজেড ফায়ার স্টেশন
ইপিজেড, ঢাকা
 ৭৭৮৮৪৪৪
 ০১৭৩০-০০২২৩১
বারিধারা ফায়ার স্টেশন
বারিধারা, ঢাকা
 ৮৮২৭৩৯৭
 ০১৭৩০-০০২২৪৫
সাভার ফায়ার স্টেশন
সাভার, ঢাকা
 ৭৭৪৮৩৩৩
 ০১৭৩০-০০২২৫০
ধামরাই ফায়ার স্টেশন
ধামরাই

 ০১৭৪২-৩০২৮৫০
নারায়নগঞ্জ সদর ফায়ার স্টেশন
মন্ডলপাড়া, নারায়নগঞ্জ
 ৭৬৪৮৭৪৮
 ০১৭৩০-০০২৩১০
হাজীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন, নারায়নগঞ্জ
হাজীগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ
 ৭৬৪৮৭৯৮
 ০১৭৩০-০০২৩১১
বন্দর ফায়ার স্টেশন, নারায়নগঞ্জ
বন্দর, নারায়নগঞ্জ
 ৭৬৬১৮৮৮
 ০১৭৩০-০০২৩১৩
নারায়নগ্ঞ্জ নদী ফায়া্র স্টেশন

 ৭৬৪৮৯১৮
 ০১৭৩০-০০২৩১২
কাঞ্চন নদী ফায়ার স্টেশন
কাঞ্চন, নারায়নগঞ্জ
 ৯৩৪৫৮০০
 ০১৭৩০-০০২৩১৭
টংগী ফায়ার স্টেশন
টংগী, গাজীপুর
 ৯৮০১০৭০
 ০১৭৩০-০০২১৩০
গাজীপুর ফায়ার স্টেশন
গাজীপুর সদর
 ৯২৫২৬২৮
 ০১৭৩০-০০২১২২
কালিয়াকৈর ফায়ার স্টেশন
কালিয়াকৈর, গাজীপুর
 ০৬৮২২-৫১৩৩৩
 ০১৭৪৪-২৪২২৪৮
মুন্সিগঞ্জ সদর ফায়ার স্টেশন
মুন্সিগঞ্জ
০৬৯১-৬২১২১
০১৭৩০-০০২১৪২
কমলাঘাট নদী ফায়ার স্টেশন
কমলাঘাট, মুন্সিগঞ্জ
 ০৬৯১-৬২২২২
 ০১৭৩০-০০২১৫২
শ্রীনগর ফায়ার স্টেশন
শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ
 ০৬৯২৫-৬৫৩৩৩

নরসিংদী সদর ফায়ার স্টেশন
নরসিংদী
 ৯৪৬২২২২
 ০১৭৩০-০০২১৫৩
মনোহরদী ফায়ার স্টেশন
নরসিংদী
০৬২৫৩৫৬২২২
০১৭৩০-
পলাশ ফায়ার স্টেশন
নরসিংদী
০৬২৮-৭৪৩৭৭
০১৭৩০-০০২১৬৭
মাধবদীবাজার ফায়ার স্টেশন
নরসিংদী
৯৪৪৬১১১
০১৭৩০-০০২১৭৪
০১৭২৬-৬৮৮৮৬৮
মানিকগঞ্জ সদর ফায়া্র স্টেশন
মানিকগঞ্জ
০৬৫১-৬১২২২
০১৭৩০-০০২৩৮৫
ঘিওর ফায়ার স্টেশন
মানিকগঞ্জ
০৬৫২৩-৫৬০৯৯
০১৭৩০-০০২৩৮৬
টাঙ্গাঙ্গাইল সদর ফায়ার স্টেশন
টা্ঙ্গাইল
০৯২১-৫৩৭৭৭
০১৭৩০-০০২৩৮৮
মধুপুর ফায়ার স্টেশন
টাঙ্গাইল
০৯২২-৮৬১২৬
০১৭৩০-০০২৩৯৪
জামালপুর সদর ফায়ার স্টেশন
জামালপুর
০৯৮১-৬৩৩৩৩
 ০১৭৩০-০০২৩৯৯
সরিষাবাড়ি ফায়ার স্টেশন
জামালপুর
০৯৮২৭-৫৬০০৭

ইসলামপুর ফায়ার স্টেশন, জামালপুর
জামালপুর
০৯৮২৪-৭৪০২২
০১৭৪৯-৮০৯৯২৬
শেরপুর ফায়ার স্টেশন
শেরপুর
০৯৩১-৬৯২২২
০১৭৩০-০০৮১৮৭
গফরগাঁও ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ
০৯০২৫-৫৬৪০০
০১৭৩০-০০২৩৫৪
মুক্তাগাছা ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ
০৯০২৮-৭৫৩৩৩
০১৭৩০-০০২৩৫৬
ময়মনসিংহ সদর ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ
০৯১-৫২২২২
 ০১৭৩০-০০২৩৫৩
ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ
 ০৯০২৭-৫৬৩৩৩
 ০১৭৩০-০০২৩৬৮
সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশন
ঢাকা
 ৭৪৫৪০৫৫
 ০১৭৩০-০০২২১৪
ভালুকা ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ
 ০৯০২২-৫৬২৭৭
 ০১৭৩০-০০২৩৬৮
ফুলবাড়িয়া ফায়ার স্টেশন
ময়মনসিংহ

 ০১৭৩০-০০২৩৬৭
কিশোরগঞ্জ সদর ফায়ার স্টেশন
কিশো্রগঞ্জ
 ০৯৪১-৬১৯৬৬
 ০১৭৩০০০২৩৭২
বাজিতপুর ফায়ার স্টেশন
কিশো্রগঞ্জ
 ০৯৪২৩৬৪২২২
 ০১৭৩০-০০২৩৭৪
ভৈরব বাজার ফায়ার স্টেশন
কিশো্রগঞ্জ
 ০৯৪২৪-৭১৪২২
 ০১৭৩০-০০২৩৭৪
ভৈরব বাজার নদী ফায়ার
কিশো্রগঞ্জ
 ০৯৪২৪-৭১২২২
 ০১৭৪৬-৬৩১৭২১
কুলিয়ারচর ফায়ার স্টেশন
কিশো্রগঞ্জ
 ০৯৪২৯-৫৬২২২
 ০১৭৩০-০৮২২১৭

এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস
  • স্থানীয়ভাবে বা আন্তঃজেলা পর্যায় রোগী পরিবহনের নিমিত্তে জনসাধারনের জন্য এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
  • এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের আওতায় শুধুমাত্র রোগীকে বাসা থেকে হাসপাতালে অথবা দুর্ঘটনার স্থান থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
  • এ সেবার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে বা পৌর এলাকায় ফোনের বা বার্তাবাহকের মাধ্যমে এ্যাম্বুলেন্স কল গ্রহণ করা
    হয়।
  • আন্তঃ জেলা পর্যায়ে বা দূরবর্তী কলের ক্ষেত্রে রোগী পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ফরমপূরণপূর্বক পুর্ব অনুমোদন
    নিতে হয়।
 
রোগী পরিবহনের জন্য ভাড়ার হার নিচে দেওয়া হলো:
  • দেশের সকল মেট্রোপলিটন শহর এলাকাসহ সকল পৌর এলাকায় ১ মাইল/১ কিলোমিটার হতে ৫ মাইল/৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ১০০ (এক শত) টাকা।
  • ৫ মাইলের ঊর্ধ্বে হইতে ১০ মাইল অথবা ৮ কিলোমিটার হইতে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতিকল ১৫০ (একশত) টাকা।
  • দূরবর্তী/আন্তঃজেলা কলের ক্ষেত্রে প্রতি মাইল ১৫ (পনরো) টাকা ও প্রতি কিলোমিটার ৯/- (নয়) টাকা।
  • এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের আওতায় লাশ বহন করা হয় না।
 
সেবা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকলে নিম্নলিখিত নম্বরে যোগাযোগ করুতে পারেন।
উপ-পরিচালক, ঢাকা বিভাগ, ঢাকা     ০২-৯৫৫৬৭৫৮
উপ-পরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম    ০৩১-৭১৬৩২৬
উপ-পরিচালক, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী    ০৭২১-৭৭৪২২৪
উপ-পরিচালক, খুলনা বিভাগ, খুলনা    ০৪১-৭৬০৩৩৪
উপ-পরিচালক, সিলেট বিভাগ, সিলেট    ০৮২১-৭১৬৩৫০
উপ-পরিচালক, বরিশাল বিভাগ, বরিশাল    ০৪৩১-৬৫১৩৩
 
ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য আরও সেবা সম্পর্কে জানতে দেখুন: www.fireservice.gov.bd

বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়লে

বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়লে

শিক্ষা, জীবন ও জীবিকার সন্ধানে বাংলাদেশের অনেক নাগরিক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে। এসব জনগণকে প্রতিনিয়তই অনাকাঙ্ক্ষিত বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এসব অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগ বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসসমূহ এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের বহুমুখী কনস্যুলার সেবা প্রদান করে থাকে। বিদেশে অবস্থানকালে কোন ব্যক্তির যদি কোন প্রকার কনস্যুলার সেবার প্রয়োজন হয়, তাহলে তিনি নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে কিংবা দেশে তাঁর নিকটজন তাঁর পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগের সাথে যোগাযোগপূর্বক কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
 
বিদেশে আটক বাংলাদেশীদের দেশে প্রত্যাবাসন
প্রবাসে কোন বাংলাদেশী আটক হলে বা কারাদন্ড হলে এবং তার আত্মীয়-স্বজন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগে যোগাযোগ করলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বল্পতম সময়ে সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করে। তবে, এক্ষেত্রে যোগাযোগের সুবিধার্থে আটক ব্যক্তির সঠিক ও বিশদ পরিচয় বিবরণী (নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, আটকের স্থান ও সম্ভাব্য টেলিফোন নম্বর ইত্যাদি) এবং আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর থাকা প্রয়োজন।
প্রবাসে কোন বাংলাদেশীর দেশে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত কোন সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (কনস্যুলার ও কল্যাণ) বরাবর আবেদন করলে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয়।
এছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশীদের অন্য যে কোন সমস্যা জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (কনস্যুলার ও কল্যাণ) বরাবর আবেদন করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশের যে সকল নাগরিক জনশক্তি, কর্মসংস্হান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অনুমতি নিয়ে বিদেশে গমন করেন, তাদের মধ্যে কেউ বিদেশে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনশক্তি, কর্মসংস্হান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সহায়তায় এবং উক্ত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন কর্তৃক প্রদত্ত খরচে তাদের দেশে ফেরৎ আনার ব্যবস্হা গ্রহণ করে।

ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহায়তা
প্রবাসী বাংলাদেশীরা চাকুরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে চাকুরির শর্তানুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দুতাবাসের সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকারীগণের আবেদনের ভিত্তিতে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো আদায়কৃত ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা নেয়। উল্লেখ্য যে আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্নোক্ত দলিলাদি/তথ্যাদি থাকা প্রয়োজন।
  • মৃত ব্যক্তির পাসপোর্ট/পরিচয়পত্র;
  • নিয়োগকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা;
  • মৃত্যুর স্থান, তারিখ এবং মৃত্যুর কারণ;
  • আবেদনকারীর পূর্ণ ঠিকানা;
  • বৈধ উত্তরাধিকার সংক্রান্ত সনদ।
এছাড়াও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বা পঙ্গুত্ববরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষেত্রেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়পূর্বক প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব
কোন প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা) অথবা ইউরোপের কোন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে সে দেশের নাগরিকত্ব প্রাপ্তির জন্য পঠিতব্য শপথ বাক্যে বা কোন দলিলে যদি বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রত্যাহারের শপথ না থাকে, তাহলে তাঁর বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বহাল থাকবে। এক্ষেত্রে বিদেশী নাগরিকত্বধারী প্রবাসী বাংলাদেশী তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্যবহার ও নবায়ন করতে পারবেন।

মৃত ব্যক্তির লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা
প্রবাসে কোন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করলে তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা অথবা নিকটাত্মীয় বা বৈধ অভিভাবকের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রবাসে তার লাশ সনাক্ত/দাফনের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি, কর্মসংস্হান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সাথে সমন্বয়পূর্বক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির নিকটাত্মীয়/বধ অভিভাবককে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগ বরাবর মৃত ব্যক্তির নিম্নোক্ত তথ্যাবলীসহ একটি আবেদনপত্র দাখিল করতে হয়।
বাংলাদেশী নাগরিকত্ব প্রমাণের সনদপত্র; পাসপোর্ট (প্রথম পাঁচ পাতা)/ট্রাভেল পারমিট-এর অনুলিপি; চাকরি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাদি (যেমন, চাকরিস্থল, চাকরিদাতার পূর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদি এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য তথ্যাদি যদি থাকে)।
উপর্যুক্ত তথ্য সম্বলিত আবেদন পত্র প্রাপ্তির পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাধারণত তিন কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনপত্রটি প্রয়োজনীয় কার্যার্থে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে প্রেরণ করে থাকে। উল্লেখ্য, লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার পর তা নিকটাত্মীয়/বৈধ অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্য জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) (ঠিকানাঃ ৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা। ফোনঃ ৯৩৩৯৭০৫,  ৯৩৫০৮৪৮; ফ্যাক্সঃ ৮৩১৯৯৪৮) সম্পাদন করে থাকে। পক্ষান্তরে, বিদেশে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির কোন নিকটাত্মীয় বা শুভানুধ্যায়ী তাঁর সাথে থাকলে তিনি সেই দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করলে সংশ্লিষ্ট মিশন একই রকম সহযোগিতা প্রদান করবে।
 
জরুরী অবস্থায় সহায়তা
প্রবাসী ব্যক্তিগণ সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাসরত অবস্থায় হঠাৎ কোন জরুরী বা দূর্যোগপূর্ণ অবস্থার শিকার হলে সে দেদশে অবস্হিত বাংলাদেশ দূতাবাস অথবা বাংলাদেশে অবস্হিত প্রবাসী ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে (যেমনঃ প্রাকৃতিক বা অন্য কোন দুর্যোগ আক্রান্ত প্রবাসীদের এক স্হান থেকে অন্য নিরাপদ স্হানে সরিয়ে নেয়া)। প্রবাসে হারিয়ে যাওয়া কোন ব্যক্তির সন্ধান লাভের জন্যও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে।
এছাড়াও বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও অণু বিভাগ নিম্নোক্ত সেবা প্রদান করে থাকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কনস্যুলার সেবা ও ডকুমেন্ট সত্যায়নের সময়সূচী:
ডকুমেন্ট গ্রহণের সময়
সকাল ৮:৩০ থেকে বেলা ১১:০০টা পর্যন্ত
ডকুমেন্ট প্রদানের সময়
একই কর্ম দিবসে বিকাল ৩:০০টার পর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগ কর্তৃক এই সকল সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়:

দলিল-দস্তাবেজ প্রত্যয়ন সংক্রান্ত নিয়মাবলী
১. বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত সনদ (Board/University Certificate):
সরকারী/বেসরকারী বোর্ড/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যাচাই (verification) প্রত্যয়নপূর্বক (attestation) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের/বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশিষ্ট শাখা কর্তৃক প্রত্যয়ন এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নোটারী পাবলিক কর্তৃক প্রত্যয়ন ক’রে জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদ পত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহের প্রত্যয়ন করে।

২. পারিবারিক সনদসমূহ ও বিবাহসংক্রান্ত অন্যান্য দলিলাদি(Family Certificate and Marital Documents):
ইউপি চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত পারিবারিক দলিলসমূহ নোটারী পাবলিক কর্তৃক প্রত্যয়নপূর্বক এবং বিবাহসংক্রান্ত দলিলাদি নোটারী পাবলিক ও আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষর প্রত্যায়িত করে।

৩. জন্ম সনদ/মৃত্যু সনদ (Birth/Death Certificate):
সিটি কর্পোরেশন/স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (Sanitary Inspector) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত জন্ম সনদসহ হাসপাতাল কর্তৃক প্রদত্ত জন্ম সনদ গ্রহণযোগ্য। মৃত্যুর সনদ (death certificate) সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সরকারী ডাক্তার কর্তৃক প্রদত্ত হতে হবে। নোটারী পাবলিক কর্তৃক সত্যায়ন করে জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ প্রত্যায়িত করে।
 
৪. অবিবাহিত সনদপত্র (Marital Status Certificate):
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রদত্ত “অবিবাহিত সনদপত্র” নোটারী পাবলিক কর্তৃক সত্যায়ন করে জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ প্রত্যায়িত করে।

৫. অভিভাবক সনদপত্র (Guardianship Certificate):
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কার্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত অভিভাবক সনদপত্র (guardianship certificate), পারিবারিক আদালতের রায়ের কপি (প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সত্যায়িত) নোটারী পাবলিক কর্তৃক সত্যায়ন ক’রে জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ প্রত্যায়িত করে।

৬. পুলিশ প্রত্যয়নপত্র (Police Clearance Certificate):
সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট পুলিশ প্রত্যয়নপত্র স্বাক্ষর করে একটি অধিপ্রেরণ পত্রের মাধ্যমে পররাষ্ট্র সচিব বরাবর প্রেরণ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উক্ত প্রত্যয়ন পত্রের সীল ও স্বাক্ষর প্রতিস্বাক্ষরিত করে স্ব স্ব জেলা পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট কার্যালয়ে প্রেরণ করে থাকে ।

৭. বাণিজ্যিক সনদপত্র (Commercial Documents) :
বীমা ও বাণিজ্যিক সনদপত্র (Insurance and Commercial documents) স্হানীয় চেম্বার অব কমার্স, প্রযোজ্য, ক্ষেত্রে জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর রেজিস্ট্রার, অথবা সংশ্লিষ্ট বীমা অফিস ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়নপূর্বক নোটারী পাবলিক কর্তৃক প্রতি-সত্যায়নপূর্বক জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঐ সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ প্রত্যায়িত করে।

৮. ব্যাংক বিবরণী/সনদপত্র (Bank Statement):
ব্যাংক বিবরণী বা সনদপত্র অর্থ মন্ত্রণালয় ও অনুমোদিত নোটারী পাবলিক কর্তৃক সত্যায়নপূর্বক জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উক্ত বিবরণ/সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ প্রত্যায়িত করে।

৯. আম মোওুারনামা (Power of Attorney):
বিদেশ থেকে প্রেরিত আম মোক্তারনামা (power of attorney) সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্হিত বাংলাদেশ দূতবাস/মিশন কর্তৃক সত্যায়ন করে অনুলিপিসহ দুই প্রস্হ জমা দিতে হয়। সংশিষ্ট ব্যক্তি অথবা যথাযথভাবে কর্তৃকপ্রাপ্ত (authorized) ব্যক্তি তাঁর পাসপোর্ট-এর কপিসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে উওু সনদপত্রের সীল ও স্বাক্ষরসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যায়িত করে

১০. অনুদিত সনদ (Translated Documents):
যে কোন অনুবাদ প্রত্যয়নের জন্য মূল সনদপত্র ও এর অনুবাদ অভিন্ন অনুমোদিত নোটারী পাবলিক কর্তৃক সত্যায়ন করে জমা দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যায়িত করে। উল্লেখ্য, উভয় সনদপত্রের ওপর সংশ্লিষ্ট অনুবাদ প্রতিষ্ঠান ও অনুবাদকের সীল ও স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক।

দলিলাদি প্রত্যয়নের ক্ষেত্রে সাধারণ বিবেচ্য বিষয়সমূহ
যিনি সেবা গ্রহণে ইচ্ছুক তিনি নিজে উপস্হিত থেকে অথবা তাঁর পক্ষে কোন নিকটাত্মীয় তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে দলিলাদি জমা দেবেন। পরিচয় সনাক্তকরণের জন্য পাসপোর্টের প্রথম তিন পৃষ্ঠার অনুলিপি জমা দিতে হবে। পাসপোর্ট না থাকলে জাতীয় পরিচয় পত্রের অনুলিপি অথবা চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার থেকে ছবিসহ প্রত্যয়নপত্র বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্রসহ জমা দিতে হবে।
বিদেশে অবস্হানকারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পাসপোর্টের প্রথম তিন পৃষ্ঠার অনুলিপি এবং কর্তৃত্বপ্রাপ্ত (authorized) ব্যক্তির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

নিম্নোক্ত দলিলাদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যয়ন করা হয় নাঃ
  • জীবনবৃত্তান্ত;
  • ভিসার জন্য আবেদন;
  • অনুদান বা সাহায্যের আবেদন;
  • ব্যবসায় সংক্রান্ত দলিলপত্রাদি;
  • সরকারী সার্কুলার, গেজেট বা কোন সরকারী আদেশ (তবে ক্ষেত্র বিশেষে সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সত্যায়নসহ লিখিত অনুরোধের প্রেক্ষিতে নোটারী পাবলিক কর্তৃক পুনঃসত্যায়ন করা হলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যায়িত করে থাকে)।

বাংলাদেশ পুলিশ

শান্তি শপথে বলীয়ান বাংলাদেশ পুলিশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, নির্যাতিত মানুষের পাশে বন্ধুর মতো দাড়ানো এবং অপরাধীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পুলিশের হেড কোয়ার্টার গুলিস্তানের নগর ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। ঢাকা মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশকে সহায়তা এবং বাংলাদেশের মানুষকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় আবদ্ধ করতে আরও রয়েছে – র‍্যাব, ডিবি, এসবি, সিআইডি, বিট পুলিশ এবং রেলওয়ে পুলিশ। বর্তমানে অনলাইনে জিডি করা যায়। এছাড়া নিপীড়িত জনগণকে তাৎক্ষণিক পুলিশি সেবা প্রদান করার জন্য চালু হয়েছে ওয়ান স্টপ সার্ভিস। পুলিশ বাহিনী আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন, ইমিগ্রেশন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। 
 
পুলিশী সেবা পেতে
ঔপনিবেশিক আমলে পুলিশ বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, একটি স্বাধীন দেশে পুলিশ বাহিনী জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার কথা। একারণে এখন পুলিশ ফোর্স না বলে পুলিশ সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।
কিন্তু বিভিন্ন প্রয়োজনে কিভাবে পুলিশের সেবা নিতে হয়, কোথায় কি প্রক্রিয়ায় যোগাযোগ করতে হয়, ইত্যাদি তথ্য ঠিকমত না জানার কারণে অনেকেই বিভিন্ন প্রয়োজনে বা বিপদে সহজে পুলিশের দারস্থ হন না। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশের সাহায্য নেয়ার প্রক্রিয়াটি খুব বেশি জটিল নয়। আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেয়া, পাসপোর্ট করা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই। এসব বিষয় চিন্তা করে পুলিশের সেবা আর সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য থাকছে এখানে।
 
পুলিশের বিভাগসমূহ
বাংলাদেশ পুলিশের বিশাল কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য এর কার্যক্রমকে বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। বিভাগগুলো হচ্ছে; সোয়াত, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, রেল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ-পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, এসবি , ডিবি এবং সিআইডি। পুলিশের এই বিভাগগুলোর দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং এদের বিভিন্ন দপ্তরের ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি তথ্য থাকছে এখানে।
 
ফোন নম্বর
যেকোন প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিতে বা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে সঠিক জায়গায় দ্রুত যোগাযোগ করা জরুরি। এই যোগাযোগের কাজটি সহজ করে দেবার লক্ষ্যে পুলিশ সদরদপ্তরসহ র‍্যাব, এসবি, ডিবি, সিআইডি, প্রভৃতি বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তার ফোন নম্বর থাকছে এ বিভাগে।
 
পুলিশের স্থাপনা
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্থাপনাগুলোর কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হবে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের কথা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শক্তির মূল কেন্দ্র এটি। এখানে মেট্রোপলিটন পুলিশের অস্ত্র, গোলাবারুদ, যানবাহনসহ বিভিন্ন সাজসরঞ্জাম রাখা হয়। পুলিশ কনস্টেবলদের ব্যারক এবং প্যারেড গ্রাউন্ডটিও এখানে।
এছাড়া নগরভবন সংলগ্ন পুলিশ সদরদপ্তর, রমনা ও উত্তরার পুলিশ কমপ্লেক্স, পুরনো ঢাকার লালবাগ দূর্গ সংলগ্ন মিল ব্যারাক, মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজ ইত্যাদির কথা উল্লেখ করা যায়। অবশ্য পুলিশ সদরদপ্তর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোন স্থাপনা নয়। মিল ব্যারকে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয় আর পুলিশ স্টাফ কলেজে মূলত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের থানা সংখ্যা ৪১ টি; মোট ৮টি ডিসি অফিসের অধীনে থানাগুলো পরিচালিত হয়। পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে  ৫২টি এবং পুলিশ বক্স রয়েছে ৬৯টি।
 
বিভিন্ন ধারা
দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা
বাংলাদেশের আইনকানুন সমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণীতে চিহ্নিত করা যায়; বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, এবং দেওয়ানী দন্ডবিধি। ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধিকে আলাদাভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন নয়, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল। অবশ্য এসব ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিশেষ আইন তৈরি হয়েছে।  বিস্তারিত
 
ঢাকার থানাগুলো
প্রাচীন ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে দস্যুদের আক্রমণে যখন রাজস্ব আদায় কার্যক্রম ব্যহত হতে শুরু করে তখন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার লক্ষ্যে পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে মৌর্য আমলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ ঘাঁটি বা আধুনিক থানা স্থাপিত হয়। অবশ্য অনেকে মনে করেন এই থানা বা চৌকি পদ্ধতি মুসলিম শাসনামলে প্রবর্তিত হয়েছে। মোগল শাসনামলে একজন ফৌজদারের তত্ত্ববধানে থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হত। বৃটিশ শাসনামলে মোগল আমলের থানা ও কতোয়াল পদ্ধতি বহাল রেখে পুলিশ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হয়।
 
এখন বাংলাদেশ পুলিশের যেকোন থানায় সার্বিক দায়িত্বে থাকেন ওসি (অফিসার ইন চার্জ)। তিনি একজন ইন্সপেক্টর র‍্যাংকের কর্মকর্তা। থানায় একই র‍্যাংকের আরও কর্মকর্তা থাকেন। তাঁদের বলা হয় ইন্সপেক্টর তদন্ত বা ইন্সপেক্টর ইনভেষ্টিগেশন। থানার সাব-ইন্সপেক্টরদের মধ্যে যাঁরা তদন্ত করেন তাঁরা ইন্সপেক্টর তদন্তের অধীনে কাজ করেন। থানার সাব-ইন্সপেক্টরদের মধ্যে যিনি সিনিয়র তাকে বলা হয় অপারেশন অফিসার (বাইরের জেলা সমূহে অপারেশন অফিসারের পরিবর্তে সেকেন্ড অফিসার বলা হয়) একজন সাব-ইন্সপেক্টর পালাক্রমে আট ঘন্টা দায়িত্ব পালন করেন। একটি থানার সব সাব-ইন্সপেক্টরই পালাক্রমে ডিউটি অফিসার হিসেবে কাজ করেন। আপনি কোন কারণে থানায় ফোন করলে ডিউটি অফিসারই ফোন রিসিভ করার সম্ভাবনা বেশি। মামলা নেয়া, জিডি রেকর্ড করা, জরুরী ঘটনায় ফোর্স পাঠানো ও ঊর্ধ্বতনদের জানানো, ইত্যাদি কাজ ডিউটি অফিসাররাই করে থাকেন।
 
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এলাকাকে মোট আটটি ক্রাইমজোনে ভাগ করা হয়েছে। জোনগুলো হচ্ছে ওয়ারী, লালবাগ, রমনা, মতিঝিল, তেজগাঁও, মিরপুর, গুলশানএবং  উত্তরা।এই জোনগুলোর তদারকি কর্মকর্তা হচ্ছেন এসি। আর আটটি জোনের অধীনে মোট ৪১ থানা আছে ঢাকায়। 
 


বিভিন্ন ধারা


দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা
বাংলাদেশের আইনকানুন সমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণীতে চিহ্নিত করা যায়; বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, এবং দেওয়ানী দন্ডবিধি। ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধিকে আলাদাভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন নয়, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল। অবশ্য এসব ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিশেষ আইন তৈরি হয়েছে।
 
দন্ডবিধি
দন্ডবিধি থেকে অপরাধ এবং অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানা যায়।  মোট ৫১১টি ধারা আছে দন্ডবিধিতে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ধারাগুলোর কোনটিতে অপরাধের বর্ণনা বা সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে আবার কোনটিতে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬০ সালে প্রথম ভারতীয় দন্ডবিধি প্রবর্তিত হয়। দন্ডবিধিকে একটি দেশের মৌলিক আইন বলা হয়ে থাকে।
 
ফৌজদারী কার্যবিধি
কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়। ফৌজদারী কার্যবিধিতে মোট ৫৬৫টি ধারা আছে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।
 
ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়। ফৌজদারী কার্যবিধির চতুর্থ ভাগ অপরাধের প্রতিরোধ বিষয়ে নিবেদিত।
 
দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি কোনটা কি?
যেমন: কেউ কোন হত্যাকান্ডে অংশ নিলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। দন্ডবিধির ২৯৯ এবং ৩০০ ধারা থেকে জানা যায় কোনটি খুন বা হত্যাকান্ড এবং দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় শাস্তির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।
কিন্তু কিভাবে এই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে, কিভাবে তদন্তকার্য পরিচালনা করা হবে, কোন আদালতে মামলাটি দায়ের করতে হবে তথা বিষয়টি কোন আদালতের আওতাধীন, ইত্যাদি ফৌজদারী কার্যবিধি হতে জানা যায়।
 
দেওয়ানী কার্যবিধি
অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যক্রমে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। যেগুলো ফৌজদারী অপরাধ নয় সহজ ভাষায় সেগুলোই দেওয়ানী আদালতের আওতায় নেয়া হয়। বাড়ি-ঘর, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক দেনদেন সংক্রান্ত প্রসঙ্গ ইত্যাদি দেওয়ানী আদালাতের আওতাভুক্ত। দেওয়ানী আদালত কিভাবে তার বিচারকার্য পরিচালনা করবে দেওয়ানী কার্যবিধিতে তার উল্লেখ আছে। দেওয়ানী কার্যবিধিকে মোটাদাগে দুইভাগে ভাগ করা যায়: কার্যবিধি ও অর্ডার। প্রতিটি অর্ডারের আবার একাধিক রুল আছে।

দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা

বাংলাদেশের আইনকানুন সমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণীতে চিহ্নিত করা যায়; বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, এবং দেওয়ানী দন্ডবিধি। ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধিকে আলাদাভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন নয়, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল। অবশ্য এসব ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিশেষ আইন তৈরি হয়েছে।
দন্ডবিধি
দন্ডবিধি থেকে অপরাধ এবং অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানা যায়।  মোট ৫১১টি ধারা আছে দন্ডবিধিতে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ধারাগুলোর কোনটিতে অপরাধের বর্ণনা বা সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে আবার কোনটিতে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬০ সালে প্রথম ভারতীয় দন্ডবিধি প্রবর্তিত হয়। দন্ডবিধিকে একটি দেশের মৌলিক আইন বলা হয়ে থাকে।
ফৌজদারী কার্যবিধি
কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়। ফৌজদারী কার্যবিধিতে মোট ৫৬৫টি ধারা আছে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।
ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়। ফৌজদারী কার্যবিধির চতুর্থ ভাগ অপরাধের প্রতিরোধ বিষয়ে নিবেদিত।
দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি কোনটা কি?
যেমন: কেউ কোন হত্যাকান্ডে অংশ নিলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। দন্ডবিধির ২৯৯ এবং ৩০০ ধারা থেকে জানা যায় কোনটি খুন বা হত্যাকান্ড এবং দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় শাস্তির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।
কিন্তু কিভাবে এই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে, কিভাবে তদন্তকার্য পরিচালনা করা হবে, কোন আদালতে মামলাটি দায়ের করতে হবে তথা বিষয়টি কোন আদালতের আওতাধীন, ইত্যাদি ফৌজদারী কার্যবিধি হতে জানা যায়।
দেওয়ানী কার্যবিধি
অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যক্রমে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। যেগুলো ফৌজদারী অপরাধ নয় সহজ ভাষায় সেগুলোই দেওয়ানী আদালতের আওতায় নেয়া হয়। বাড়ি-ঘর, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক দেনদেন সংক্রান্ত প্রসঙ্গ ইত্যাদি দেওয়ানী আদালাতের আওতাভুক্ত। দেওয়ানী আদালত কিভাবে তার বিচারকার্য পরিচালনা করবে দেওয়ানী কার্যবিধিতে তার উল্লেখ আছে। দেওয়ানী কার্যবিধিকে মোটাদাগে দুইভাগে ভাগ করা যায়: কার্যবিধি ও অর্ডার। প্রতিটি অর্ডারের আবার একাধিক রুল আছে।

১০ ডিসেম্বর - মানবাধিকার দিবস

১০ ডিসেম্বর - মানবাধিকার দিবস

মানবাধিকার দিবস রাষ্ট্রসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এ ছাড়াও, 'সর্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ছিল ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট রাষ্ট্রসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।

রাষ্ট্রসংঘের সিদ্ধান্ত

৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রসংঘ ৩১৭তম পূর্ণ অধিবেশনে ৪২৩(৫) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সদস্যভূক্ত দেশসহ আগ্রহী সংস্থাগুলোকে দিনটি তাদের মতো করে উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা, মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার ঘোষণা রয়েছে। আলোচনার সুবিধার্থে এখানে এর কয়েকটি উল্লেখ করছি। বলা হয়েছে, বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সমমর্যাদা ও অধিকারাদি নিয়ে সব মানুষই জন্মগ্রহণ করে। বুদ্ধি ও বিবেক তাদের অর্পণ করা হয়েছে; অতএব ভ্রাতৃত্বসুলভ মনোভাব নিয়ে তাদের একে অন্যের প্রতি আচরণ করা উচিত। প্রত্যেকেরই জীবন ধারণ, স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে। কাউকে নির্যাতন অথবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক অথবা অবমাননাকর আচরণ অথবা শাস্তি ভোগে বাধ্য করা চলবে না। আইনের সমক্ষে প্রত্যেকেরই সর্বত্র ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি লাভের অধিকার রয়েছে। আইনের কাছে সবাই সমান এবং কোনও রূপ বৈষম্য ব্যতিরেকে সবারই আইনের দ্বারা সম ভাবে রক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে। কাউকে খেয়ালখুশি মতো গ্রেফতার, আটক অথবা নির্বাসন দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না। কাউকেই যথেচ্ছ ভাবে তার জাতীয়তা থেকে অথবা তাকে তার জাতীয়তা পরিবর্তনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা চলবে না। প্রত্যেকেরই চিন্তা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। প্রত্যেকেরই মতামত প্রকাশের স্বাধিকার রয়েছে; বিনা হস্তক্ষেপে মতামত পোষণ এবং যে কোনও উপায়ে এবং রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও মতামত সন্ধান, গ্রহণ এবং জ্ঞাত করার স্বাধীনতা এ অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।
মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সভা-সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরণের তথ্যচিত্র কিংবা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী প্রধানত এ দিনের সাধারণ ঘটনা। ঐতিহ্যগত ভাবে ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে প্রতি পাঁচ বৎসর অন্তর 'রাষ্ট্রসংঘের মানব অধিকার ক্ষেত্র পুরস্কার' প্রদান করা হয়। এ ছাড়া নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কার্যক্রমও এ দিনেই হয়ে থাকে।

মানবাধিকার দিবস


মানবাধিকার দিবস
পালনকারী জাতিসংঘের সকল সদস্যভূক্ত রাষ্ট্র
উদযাপন সভা, আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
তারিখ ১০ ডিসেম্বর
মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত
  • প্রতিপাদ্য বিষয়
  • তারিখে ভিন্নতা
  • তথ্যসূত্র
  • আরও দেখুন
  • বহিঃসংযোগ

জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত

৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৩১৭তম পূর্ণ অধিবেশনে ৪২৩(৫) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সদস্যভূক্ত দেশসহ আগ্রহী সংস্থাগুলোকে দিনটি তাদের মতো করে উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়।
মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সভা-সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরণের তথ্যচিত্র কিংবা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী প্রধানতঃ এ দিনের সাধারণ ঘটনা। ঐতিহ্যগতভাবে ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে প্রতি পাঁচ বৎসর অন্তর 'জাতিসংঘের মানব অধিকার ক্ষেত্র পুরস্কার' প্রদান করা হয়। এছাড়া নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কার্যক্রমও এদিনেই হয়ে থাকে।

প্রতিপাদ্য বিষয়

২০০৬ সালে মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে অবস্থান', যা ছিল মানব অধিকার সংক্রান্ত। অনেকগুলো বক্তৃতা-বিবৃতি এ দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রদান করা হয়েছিল। তন্মধ্যে ৩৭টি দেশ নিয়ে গড়া জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের নিম্নের বিবৃতিটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্যঃ-
আজ দারিদ্র্য বিশ্বে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে মানব অধিকারকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নিয়েছে। দারিদ্র্য, বঞ্চনা, বর্জন ইত্যাদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়া দাতব্য তহবিলের জন্য কোন বিষয়ই নয়। দারিদ্র্য মোকাবিলায় দেশটি কতখানি ধনী তা-ও নির্ভরশীল নয়। দারিদ্রকে মোকাবিলার লক্ষ্যে মানব অধিকারকে সমুন্নত রাখতে হবে। বিশ্ব এটিকে সমূলে উৎপাটনের জন্য আরো বৃহৎ সুযোগ পাবে ...... দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য এটি একটি বৃহৎ লক্ষ্য অর্জন।
—30px, 30px

তারিখে ভিন্নতা

১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বৎসরের ১০ই ডিসেম্বর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিশ্বের সর্বত্র পালিত হয়। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকায় শার্পেভিল গণহত্যাকে স্মরণ করে দিবসটি উদযাপিত হয় ২১ মার্চ।

চলুন এক নজরে দেখি মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষনা পত্রটি

মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষনা পত্রটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এ বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিটি মানুষের সাম্যক ধারণা থাকা একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়টি সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে আপনি কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন কি না কিংবা আপনার উপর মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত কোন অন্যায় হচ্ছে কি না তা বুঝতে সুবিধা হয়। অনেক সময় আমরা অজান্তেই এই অপরাধে অপরাধি হচ্ছি আবার কখনও নিজের উপর হওয়া কোন অপ্রিতিকর ঘটনা টুকু মানবাধিকার লঙ্ঘনের আওতায় পড়ছে কি না তা বুঝতে এই বিষয়ে সবার একটি স্পষ্ট ধারণা থাকা একান্ত প্রয়োজন। আর সেই লক্ষে জাতিসংঘ কতৃক সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনা পত্রটি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ প্রত্যেক ব্যাক্তি ওসমাজের প্রত্যেক অঙ্গ মানবিক অধিকারসমুহ এই সার্বজণীন ঘোষনা পত্রটি সর্বদা স্মরন রেখে শিক্ষাদান ও জ্ঞান প্রসারের মাধ্যমে এ সকল অধিকার ও স্বাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করতে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রগতিশীল ব্যাবস্থাদির দ্বারা সদস্য-রাষ্ট্র সমুহের জনগন ও তাদের অধীনস্থ অঞ্চল সমুহের অধিবাসীবৃন্দ উভয়ের মধ্যে ঐ গুলোর সর্বজনীন ও কার্যকর স্বীকৃতি ও মান্যতা অর্জনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাবে।
বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সম-মর্যাদা ও অধিকারাদি নিয়ে সকল মানুষই জন্মগ্রহণ করে। বুদ্ধি ও বিবেক তাদের অর্পন করা হয়েছে;অত এব ভ্রাতৃত্বসুলভ মনোভাব নিয়ে তাদের একে অন্যের প্রতি আচরন করা উচিৎ।
যে কোন প্রকার পার্থক্য যথা: জাতি,গোত্র,বর্ণ,নারী-পুরুষ,ভাষা,ধর্ম,রাজনৈতিক বা অন্য মতবাদ,জাতীয় বা সামাজিক উৎপত্তি,সম্পত্তি,জন্ম বা অন্য মর্যাদা নির্বিশেষে প্রত্যেকেই ঘোষনা পত্রে উল্লিখিত সকল অধিকার ও স্বাধিকার স্বত্ববান। অধিকন্তু,কোন ব্যাক্তি যে দেশ বা অঞ্চলের অধিবাসি তা স্বাধীন,অছিভুক্ত এলাকা,অস্বায়ত্বশাসিত অথবা অন্য যে কোন প্রকার সীমিত সার্বভৌমেত্বের মধ্যে থাকুক না কেনো,তার রাজনৈতিক,সিমানাগত ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোন পার্থক্য করা চলবে না।
প্রত্যেকেরই জীবন-ধারন,স্বাধীনতা ও ব্যাক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে।
কাউকে দাস হিসাবে বা দাসত্বে রাখা চলবে না;সকল প্রকার দাস প্রথা ও দাস ব্যাবসা নিষিদ্ধ থাকবে।
কাউকে নির্যাতন অথবা নিষ্ঠুর,অমানুষিক অথবা অবমাননাকর আচরন অথবা শাস্থি ভোগে বাধ্য করা চলবে না।
আইনের সমক্ষে প্রত্যেকেরই সর্বত্র ব্যাক্তি হিসাবে স্বীকৃতি লাভের অধিকার রয়েছে।
আইনের কাছে সকলেই সমান এবং কোনরূপ বৈষম্য ব্যাতিরিকে সকলেরই আইনের দ্বারা সমভাবে রক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে। এই ঘোষনা পত্রের লঙ্ঘনজনিত বৈষম্য বা এরূপ বৈষম্যের উস্কানির বিরুদ্ধে সমভাবে রক্ষিত হওয়ার অধিকার সকলের আছে।
যে কার্যাদির ফলে শাসনতন্ত্র বা আইন কতৃক প্রদত্ত মৌল অধিকার সমুহ লঙ্ঘিত হয় সে সবের জন্য উপযুক্ত জাতীয় বিচার আদালত মারফত কার্যকর প্রতিকারের অধিকার প্রত্যেকের আছে।
কাউকে খেয়াল খুশি মত গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।
প্রত্যেকে তার অধিকার ও দায়িত্ব সমুহ এবং তার বিরুদ্ধে আনিত যে কোন ফৌজদারি অভিযোগ নিরুপনের জন্য পুর্ণ সমতার ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার আদালতে ন্যায্যভাবে ও প্রকাশ্যে শুনানি লাভের অধিকার রয়েছে।
ক. কোন দন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযোগে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকের আত্মপক্ষ সমর্থনের নিশ্চয়তা দেয় এমন গণ-আদালত কতৃক আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্থ না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে বিবেচিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.কাউকেই কোন কাজ বা ত্রটির জন্য দন্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্থ করা চলবে না,যদি সংঘটনকালে তা জাতীয় বা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দন্ডযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য না করা হয়ে থাকে;আবার দন্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনকালে যতটুকু শাস্তি প্রযোয্য ছিল তার চেয়ে অধিক শাস্তি প্রয়োগ চলবে না।
কাউকে তার ব্যাক্তিগত গোপনিয়তা,পরিবার,বসত বাড়ী বা চিঠি পত্রের ব্যাপারে খেয়াল খুশি মত হস্তক্ষেপ অথবা সম্মান ও সুনামের ওপর আক্রমন করা চলবে না।
ক. নিজ রাষ্ট্রের সিমানার মধ্যে চলাচল ও বসতি স্থাপনের অধিকার প্রত্যেকের আছে।
খ.প্রত্যেকেরই নিজ দেশসহ যে কোন দেশ ছেড়ে যাওয়ার এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অধিকার রয়েছে।
ক. নির্যাতন এরানোর জন্য প্রত্যেকেরই অপর দেশসমুহে আশ্রয় প্রার্থনা ও আশ্রয় লাভের অধিকা রয়েছে।
খ.অরাজনৈতিক অপরাধসমুহ অথবা জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও মুলনিতি বিরোধী কার্যালাপ থেকে সত্যিকারভাবে উদ্ভুত নির্যাতনের ক্ষেত্রে এই অধিকার নাও পাওয়া যেতে পারে।
ক. প্রত্যেকেরই একটি জাতীয়তার অধিকার রয়েছে।
খ.কাউকেই যথেচ্ছাভাবে তার জাতিয়তা থেকে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার জাতীয়তা পরিবর্তনের অধিকার অস্বীকার করা চলবে না।
ক.পূর্ণ-বয়স্ক পুরুষ ও নারীদের জাতিগত , জাতীয়তা অথবা ধর্মের কারনে কোন সিমাবদ্ধতা ব্যাতিরেকে বিবাহ করা ও পরিবার গঠনের অধিকার রয়েছে। বিবাহের ব্যাপারে ,বিবাহিত অবস্থায় এবং বিবাহ বিচ্ছেদকালে তাদের সম-অধিকার রয়েছে।
খ.কেবল মাত্র বিবাহ ইচ্ছুক পাত্র পাত্রীর অবাধ ও পুর্ন সম্মতির দ্বারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে।
গ.পরিবার হচ্ছে সমাজের স্বাভাবিক ও মৌলিক একক গোষ্ঠী;সমাজ ও রাষ্ট্র কতৃক এর সংরক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
ক. প্রত্যেকেরই একাকী এবং অপরের সহযোগীতায় সম্পত্তির মালিক হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.কাউকেই তার মস্পত্তি থেকে খেয়াল খুশি মত বঞ্চিত করা চলবে না।
প্রত্যেকেরই চিন্তা,বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। নিজ ধর্ম অথবা বিশ্বাস পরিবর্তনের স্বাধীনতা এবং একাই অথবা অপরের সাথে যোসাজেসে ও প্রকাশ্যে বা গোপনে নিজ ধর্ম বা বিশ্বাস শিক্ষাদান,প্রচার,উপাসনা ও পালনের মাধ্যমে প্রকাশ করার স্বাধীনতা এই অধিকারের আওতা ভুক্ত।
প্রত্যেকেরই মতামত প্রকাশের স্বাধীকার রয়েছে; বিনা হস্তক্ষেপে মতামত পোষন এবং যে কোন উপায়ে ও রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও মতামত সন্ধান,গ্রহন ও গাত করার স্বাধীনতা এই অধিকারের অন্তর্ভূক্ত।
ক. প্রত্যেকেরই শান্তিপূর্নভাবে সম্মিলিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.কাউকেই কোন সংঘভুক্ত হতে বাধ্য করা যাবে না।
ক.প্রত্যক্ষভাবে অথবা অবাধে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিজ দেশের সরকারে অংশগ্রহনের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে।
খ.প্রত্যেকেরই নিজ দেশের সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার রয়েছে।
গ.জনগনের ইচ্ছাই হবে সরকারের ক্ষমতার ভিত্তি; এই ইচ্ছা সর্বজনীন ও সমান ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নৈমিত্তিকভাবে এবং প্রকৃত নির্বচন দ্বারা ব্যাক্ত হবে;গোপন ব্যালট অথবা অনুরুপ অবাধ ভোটদান পদ্ধতিতে এরুপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সমাজের সদস্য হিসাবে প্রত্যেকেরই সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে;প্রত্যেকেরই জাতীয় প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এবং রাষ্ট্রের সংগঠন ও সম্পদ অনুসারে তার মর্যাদা ও অবাধে ব্যাক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য অর্থনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সমুহ আদায় করতে পারবে।
ক.প্রত্যেকেরই কাজ করার,অবাধে চাকরি নির্বাচনের,কাজের জন্য ন্যায্য ও অনুকুল অবস্থা লাভের এবং বেকারত্ব থেকে রক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.প্রত্যেকেরই কোন বৈষম্য ভ্যাতিরিকে সমান কাজের জন্য সমান বেতন পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
গ.প্রত্যেক কর্মি তার নিজের ও পরিবারের মানবিক মর্যাদা রক্ষার নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম এমন ন্যায্য ও অনুকুলে পারিশ্রমিক এবং প্রয়োজনবোধে সেই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য সুবিধা লাভের অধিকারী।
ঘ.প্রত্যেকেরই নিজ স্বার্থ রক্ষার্থে শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন ও এতে যোগদানের অধিকার রয়েছে।
প্রত্যেকেরই বিশ্রাম ও অবসর বিনোদনের অধিকার রয়েছে। কাজের সময়ের যুক্তিসঙ্গত সীমা ও বেতনসহ নৈমিত্তিক ছুটি এ অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।
ক.নিজের ও নিজ পরিবারের স্বাস্থ্য ও কল্যানের নিমিত্তে পর্যাপ্ত জীবনমানের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে। খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান,চিকিৎসা ও প্রয়োজনিয় সামাজিক সেবামুলক কার্যাদির সুযোগ এবং বেকারত্ব,পীড়া,অক্ষমতা,বৈধব্য,বার্ধক্য অথবা অনিবার্য কারনে জীবন যাপনে অন্যান্য অপরাগতার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এই অধিকারের অন্তর্ভূক্ত।
খ.মাতৃত্বকালে ও শৈশব অবস্থায় প্রত্যেকের বিশেষ যতœ ও সহায়তা লাভের অধিকার রয়েছে। জন্ম বৈবাহিক বন্ধনের ফলে,বৈবাহিক বন্ধনের বাইরে সকল শিশুই অভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ভোগ করবে।
ক.প্রত্যেকেরই শিক্ষালাভের অধিকার রয়েছে। অন্ততপক্ষে প্রাথমিক ও মৌলিক পর্যায়ে শিক্ষা অবৈতনিক হবে। প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামুলক হবে।কারিগরী ও বৃত্তিমুলক শিক্ষা সাধারনভাবে লভ্য থাকবে এবং উচ্চতর শিক্ষা মেধার ভিত্তিতে সকলের জন্য সমভাবে উম্মুক্ত থাকবে।
খ.ব্যাক্তিত্বের পুর্ন বিকাশ ও মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধিকার সমুহের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে শিক্ষা পরিচালিত হবে। সমঝোতা,সহিঞ্চুতা ও সকল জাতি,বর্ন ও ধর্মীয় গোষ্ঠির মধ্যে বন্ধুত্ব ও উন্নায়ন এবং শান্তি রক্ষার্থে জাতিসংঘ কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করবে।
গ.যে প্রকার শিক্ষা তাদের সন্তানদের দেওয়া হবে তা পূর্ব থেকে বেছে নেওয়ার অধিকার পিতামাতার রয়েছে।
ক. প্রত্যেকেরই গোষ্ঠিগত সাংস্কৃতিক জীবনে অবাধে অংশগ্রহন,শিল্পকলা চর্চা করা এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও এর সুফলসমুহের অংশীদার হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.প্রত্যেকেরই বিজ্ঞান,সাহিত্য অথবা শিল্পকলা-ভিত্তিক সৃজনশীল কাজ থেকে উদ্ভুত নৈতিক ও বৈষয়িক স্বার্থ সমুহ রক্ষনের অধিকার রয়েছে।
প্রত্যেকেই এমন একটি সামাজিক ও আন্তর্জাতিক ব্যাবস্থার জন্য স্বত্ববান যেখানে এই ঘোষনাপত্রে উল্লিখিত অধিকার ও স্বাধীনতা সমুহ পূর্ণভাবে আদায় করা যেতে পারে।
ক.প্রত্যেকেরই সমাজের প্রতি কর্তব্যাদি রয়েছে কেবল যারা অন্তর্গত হয়েই তার ব্যাক্তিত্বেও অবাধ ও পূর্ণ বিকাশ সম্ভব।
খ.স্বীয় অধিকার ও স্বাধীনতা সমুহ প্রয়োগকালে প্রত্যেকেরই শুধু ঐ ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকবে যা কেবল অপরের অধিকার ও স্বাধীনতা সমুহের যথার্থ স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা নিশ্চিত করতে পারে। এরুপ সীমাবদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে নৈতিকতা,গণশৃংখলা ও সাধারণ কল্যানের ন্যায্য প্রয়োজন সমুহ মেটানোর উদ্দেশ্যে আইনের দ্বারা নিরুপিত হবে।
গ.এই সকল অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগকালে কোন ক্ষেত্রেই জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও মূলনীতি লঙ্ঘন করা চলবে না।
এই ঘোষনার উল্লিখিত কোন বিষয়কে এরুপভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যাতে মনে হয় যে,এই ঘোষনার অন্তভর্’ক্ত কোন অধিকার ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে কোন রাষ্ট্র,দল বা ব্যাক্তি বিশেষের আতœনিয়োগের অধিকার রয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ( ২০০৯ সনের ৫৩ নং আইন )

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন


 
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য; এবং

যেহেতু মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং মানবাধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করা এবং এতদুদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ
 
সূচী
ধারাসমূহ
 
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২৷ সংজ্ঞা
দ্বিতীয় অধ্যায়
মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা
৩৷ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা
৪। কমিশনের কার্যালয়
৫। কমিশন গঠন
৬। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের নিয়োগ, মেয়াদ, পদত্যাগ, ইত্যাদি
৭। বাছাই কমিটি
৮। চেয়ারম্যান ও সদস্যের অপসারণ
৯। সদস্যপদে শূন্যতার কারণে কার্য বা কার্যধারা অবৈধ না হওয়া
১০। সদস্যগণের বেতন, ভাতা, ইত্যাদি
১১। কমিশনের সভা
তৃতীয় অধ্যায়
কমিশনের কার্যাবলী ও তদন্তের ক্ষমতা
১২। কমিশনের কার্যাবলী
১৩। সুপ্রীম কোর্ট হইতে রেফারেন্স
১৪। মানবাধিকার লংঘন প্রকাশ পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবস্থা
১৫। মধ্যস্থতা বা সমঝোতাকারী নিয়োগ
১৬। তদন্ত সম্পর্কিত ক্ষমতা
১৭। অভিযোগের অনুসন্ধান
১৮। শৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে অনুসরণীয় পদ্ধতি
১৯। তদন্ত পরবর্তী কার্যক্রম
২০। কমিশনের নিকট সাক্ষ্য প্রদানকারী ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা
২১। সমন প্রেরণ
২২। কমিশনের কার্যাবলীর বার্ষিক প্রতিবেদন
চতুর্থ অধ্যায়
কমিশনের কর্মকর্তা, ইত্যাদি
২৩। কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী
২৪। মানবাধিকার কমিশন তহবিল
২৫। কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা
২৬। হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা
২৭। জনসেবক
২৮। ক্ষমতা অর্পণ
২৯। সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
৩০। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩১। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
৩২। হেফাজত সংক্রান্ত বিধান

মানবাধিকার

মানবাধিকার 


 প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য। মানুষ এ অধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে। তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না। মানবাধিকার সব জায়গায় এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এ অধিকার একই সাথে সহজাত ও আইনগত অধিকার। স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম দায়িত্ব হল এসব অধিকার রক্ষণাবেক্ষণ করা। যদিও অধিকার বলতে প্রকৃতপক্ষে কি বোঝানো হয় তা এখন পর্যন্ত একটি দর্শনগত বিতর্কের বিষয়।

ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম

ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম

আমরা অনেকেই হয়ত ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম বা পন্থা সম্পর্কে জানি না। এখানে এ বিষয়ে একটু ধারণা দেয়া হলো যদিও হাদিস থেকে বিভিন্ন আসনে সহবাস করার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তবে সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ

"যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।"
আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ "কানুন" নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উলে­খ করেছেন এবং 'স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে' থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়। তাই ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন আনন্দকে অনন্দ হিসেবে উপভোগ করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে বিধান অনুযায়ী মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।

হযরত আলী (রাযি.) এর  অসিয়ত :-
হযরত আলী (রাযি.) তাঁর অসিয়ত নামায় লিখেছেন যে, সহবাসের ইচ্ছে হলে এই নিয়তে সহবাস করতে হবে যে, আমি ব্যভিচার থেকে দূরে থাকবো। আমার মন এদিক ওদিক ছুটে বেড়াবেনা আর জন্ম নেবে নেককার ও সত সন্তান। এই নিয়তে সহবাস করলে তাতে সওয়াব তো হবেই সাথে সাথে উদ্যেশ্যও পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ। 
  • স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকবে।
  • মুস্তাহাব হলো "বিসমিল্লাহ" বলে সহবাস শুরু করা। ভুলে গেলে যখন বীর্যপাতের পূর্বে মনে মনে পড়ে নেবে।
  • সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করাও আল্লাহর রাসুলের সুন্নত।
  • সকল জাতিয় দুর্গন্ধ জাতীয় জিনিস পরিহার করা উচিত। উল্য্যে যে, ধুমপান কিংবা অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। আর এতে কামভাব কমে যায়। আগ্রহের স্থান দখল করে নেয় বিতৃষ্ণা।
  • কেবলামূখী না হওয়া।
  • একেবারে উলঙ্গ হবে না।
  • বীর্যপাতের পর ততক্ষণাত বিচ্ছিন্ন হবে না, বরং স্ত্রীর বীর্যপাত হওয়া পর্যন্তঅপো করবে।
  • বীর্যপাতের সময় মনে মনে নির্ধরিত দোয়া পড়বে। কেননা যদি সে সহবাসে সন্তান জন্ম নেয় তাহলে সে শয়তানের প্রভাব মুক্ত হবে নিয়ত ঠিক করুন।
আমাদের ইসলামী সমাজে প্রচলিত কিছু নিয়ম কানুন :-
  • ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।
  • সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন।
  • স্ত্রী সহবাসের দোয়া :-
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
(বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ্-শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাকতানা)।
'আল্লাহ্‌র নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদেরকে আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।" (সুত্র :- বুখারী ৬/১৪১, নং ১৪১; মুসলিম ২/১০২৮, নং ১৪৩৪)
  • তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন।
  • স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।
  • তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।
  • স্ত্রী সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করিবে না।
  • তাহার সাহিত মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীর ও তাই করা উচিৎ।
  • স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।
  • চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
  • বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না।
  • নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না।
  • উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
  • পূর্ব-পশ্চিম দিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ

মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ



ক্রমিক মন্ত্রণালয়/বিভাগ ঠিকানা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বঙ্গভবন, ঢাকা
   এ. জন বিভাগ বঙ্গভবন, ঢাকা
   বি. আপন বিভাগ বঙ্গভবন, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ভবন নম্বর: ১, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।  
** **
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
কৃষি মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
১০ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভবন # ৩, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
১১ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
  এ. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  বি. সেতু বিভাগ সেতু ভবন, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, বনানী, ঢাকা।
১২ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবন #৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
১৩ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গণভবন কমপ্লেক্স, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭৷
১৪ খাদ্য মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
১৫ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷

  এ. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷

  বি. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ

ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
১৬ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ভবন নম্বর: ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা  
  এ. বিদ্যুৎ বিভাগ ভবন নম্বর: ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  বি. জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ভবন নম্বর: ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা  
১৭ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
১৮ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভবন#১, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
(এ) বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন সচিবালয় পুরাতন বিমান বন্দর ভবন, তেজগাও, ঢাকা।
১৯ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২০ অর্থ মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
  এ. অর্থ বিভাগ ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
  বি. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ব্লক # ৮, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।
  সি. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  ডি. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
২১ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেগুন বাগিচা, ঢাকা৷
২২ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ভবন # ৩, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৩ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবন # ৮, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৪ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ভবন # ৫, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৫ শিল্প মন্ত্রণালয় ৯১, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা।
২৬ তথ্য মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৭ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৮ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
২৯ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
  এ. আইন ও বিচার বিভাগ ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  বি. লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
  সি. জাতীয় সংসদ সচিবালয় শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
৩০ ভূমি মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৩১ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
  এ. স্থানীয় সরকার বিভাগ ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  বি. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
৩২ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা কমিশন চত্ত্বর , শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা
  এ. পরিকল্পনা বিভাগ ব্লক # ৪, কক্ষ # ২, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা
  বি. পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ পরিসংখ্যান ভবন, ই-১৭/এ, আগারগাঁও, ঢাকা
  সি. বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ব্লক # ১২, কক্ষ # ৩-৪, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
৩৩ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
  এ. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ভবন নম্বর: ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
  বি. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ভবন [লেভেল-৫], আগারগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ ।
৩৪ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবন # ৮, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৩৫ ** **
৩৬ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৩৭ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৩৮ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৩৯ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ভবন #৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
৪০ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ভবন # ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৪১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারি পরিবহন পুল ভবন, বাংলাদেশ সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকা৷
৪২ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৭১-৭২, পুরাতন এ্যালিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ঢাকা।
৪৩ রেলপথ মন্ত্রণালয়  রেল ভবন, ১৬ আব্দুল গণি সড়ক, ঢাকা।
৪৪ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ভবন # ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷
৪৫ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ভবন # ৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা৷